আজ রাত ৮টা থেকে আগামীকাল সন্ধ্যা পর্যন্ত কারফিউ ঘোষণা করা হয়েছে।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সেনাবাহিনীর পাশাপাশি চার প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে। পরিস্থিতি অনুযায়ী রাতে অতিরিক্ত বাহিনী মোতায়েনের প্রস্তুতি রয়েছে।
জেল ভেঙে ৬৫০ জনকে ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা সেনাবাহিনীর সাহসী ভূমিকায় ব্যর্থ হয়েছে।
এরই মধ্যে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী আর্মার্ড পার্সোনেল ক্যারিয়ার (এপিসি) ব্যবহার করে এনসিপি নেতাদের গোপালগঞ্জ থেকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিয়েছে।
এনসিপি নেতারা বৈরী পরিস্থিতিতেও সাহসিকতার সাথে সভা করেছেন।
তাদের এই সাহসিকতার জন্য ধন্যবাদ জানানো হয়েছে। পাশাপাশি আওয়ামী লীগ ও এর সকল সহযোগী সংগঠন নিষিদ্ধের দাবিতে সর্বাত্মক আন্দোলনের ঘোষণা দেয়া হয়েছে।
এ পর্যন্ত চারজন নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। নিহতরা হলেন—দ্বীপ্ত সাহা, রমজানে কাজী, ইমন তালুকদার ও সোহেল রানা। গুরুতর আহত হয়েছেন বেশ কয়েকজন। নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।
গোপালগঞ্জের এসপির অবিলম্বে অপসারণের দাবি উঠেছে।
এদিকে জেল পুলিশ পেশাদারিত্বের সাথে সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে দায়িত্ব পালন করেছেন।