গোপালগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সমাবেশে হামলার পর দীর্ঘ কয়েক ঘণ্টা অবরুদ্ধ ছিলেন দলটির আহ্বায়ক মো. নাহিদ ইসলামসহ শীর্ষ নেতারা। পরে সেনাবাহিনীর একটি টিম এনসিপি নেতাদের এপিসিতে উদ্ধার করে নিয়ে আসেন।
এ নিয়ে সারজিস-হাসনাতদেরকে উদ্দেশ্য করে বিদ্রুপপূর্ণ মন্তব্য করে বসেন দিনাজপুর জেলা পুলিশের এএসপি মো.মোসফেকুর রহমান। যার কারণে প্রতিবাদে ফুসে উঠে দিনাজপুরের এনসিপি,বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন এবং সাধারন ছাত্র-জনতা।
প্রতিবাদে জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে অবস্থান গ্রহণ করেন আন্দোলনকারীরা এবং উক্ত এএসপিকে গ্রেফতার এবং পদত্যাগ দাবী জানান।
পরবর্তীতে পুলিশের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করে,উক্ত এএসপিকে প্রত্যাহার করা হয়।কিন্তু ২৪ এর জুলাই যোদ্ধারা বলেন এএসপি মো.মোসফেকুর রহমান ফ্যাসিস্ট আওয়ামী শাসন আমল থেকেই দিনাজপুরে বহাল তবিয়তে আছেন।
আন্দোলনকারীরা বলেন,দেশ যখন ফ্যাসিবাদের হাত থেকে মুক্ত তখন এই রকম গুটিকয়েক ফ্যাসিস্ট পুলিশ অফিসার এই ২য় স্বাধীনতাকে মেনে নিতে পারেন নি।
তাই তারা আজ জুলাই যোদ্ধাদেরকে নিয়ে কুরুচিপূর্ণ বক্তব্য দিয়ে যাচ্ছেন।এর প্রতিবাদেই তারা এই এএসপির গ্রেফতার এবং পদত্যাগের দাবি জানান। পাশাপাশি উক্ত এএসপিকে অতিদ্রুত গ্রেফতার করা না হলে, আরো কঠোর কর্মসূচিতে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন আন্দোলন কারীরা।
উল্লেখ্য, গতকাল সারজিস-হাসনাতরা সেনাবাহিনীর এপিসিতে করে গোপালগঞ্জ থেকে বের হয়ে যাওয়া নিয়ে তাদেরকে নিয়ে বিরূপপূর্ণ মন্তব্য করে বসেন উক্ত এএসপি।