সংখ্যানুপাতিক পদ্ধতিতে মনোনীত হবেন সদস্যরা। উচ্চকক্ষের ক্ষমতা নির্ধারণের ওপর গুরুত্বারোপ - ড. মির্জা গালিব
অনলাইন ডেস্কঃ
জাতীয় ঐকমত্য কমিশন সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে, জাতীয় সংসদে একটি ১০০ আসন বিশিষ্ট উচ্চকক্ষ গঠিত হবে। এই উচ্চকক্ষের সদস্যরা মনোনীত হবেন সংখ্যানুপাতিক পদ্ধতিতে (PR)—অর্থাৎ জাতীয় নির্বাচনে রাজনৈতিক দলগুলো যে হারে ভোট পাবে, সেই অনুপাতে তাদের মধ্যে আসন বণ্টন করা হবে।
এই সিদ্ধান্তকে একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকরা। এ বিষয়ে হাওয়ার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক ড. মির্জা গালিব বলেন, “উচ্চকক্ষে PR পদ্ধতির প্রয়োজনীয়তা নিয়ে আমি দেশে থাকাকালীন বহুবার কথা বলেছি। সম্প্রতি টিভি ও যমুনা টিভির দুটি টকশোতেও বিষয়টি নিয়ে প্রিসাইজ আলোচনা হয়েছে।”
তবে শুধু উচ্চকক্ষ গঠনই যথেষ্ট নয়—এর কার্যকারিতা নির্ভর করবে কতটুকু ক্ষমতা তার হাতে থাকবে তার ওপর। এ প্রসঙ্গে ড. গালিব বলেন, “উচ্চকক্ষের হাতে সংবিধান সংশোধনসহ কিছু গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক পদে নিয়োগের ক্ষমতা থাকা উচিত। যদি উপযুক্ত ক্ষমতা না থাকে, তাহলে উচ্চকক্ষ গঠনের কোনো বাস্তব ফল হবে না।”
তিনি ঐকমত্য কমিশনের প্রতি আহ্বান জানান, উচ্চকক্ষের ক্ষমতা নিয়ে বিস্তারিত ও গুরুত্বসহকারে আলোচনা করার জন্য।