বাংলাদেশ আইন

সেনাপ্রধানকে নিয়ে কী বললেন কসাই কামাল !

মো.শাহারিয়া

প্রকাশ : ২৮-৬-২০২৫ ইং | নিউজটি দেখেছেনঃ ৫৫০৬

৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দেশে ছিল সরাসরি খুনের সাথে জড়িত হাসিনার কসাই কামাল!
সরকার পতনের জন্যে দেশপ্রেমিক সেনাপ্রধানকে সরাসরি দায়ী করল কলাই কামাল!
সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ফ্যাসিস্ট হাসিনার অন্যতম বড় কসাই আসাদুজ্জামান খান কামালের নতুন একটি ফোনালাপ ভাইরাল হয়েছে। এতে গণহত্যাকারী হাসিনার পতনে দেশপ্রেমিক সেনাপ্রধানকে সরাসরি দায়ী করেছেন আওয়ামী লীগের পলাতক এই শীর্ষ নেতা।
জুলাই গণহত্যার অন্যতম এই মাস্টারমাইন্ডের হাজার বাংলাদেশীর নাগরিকের খুনের জন্য দায়ী এই খুনীর দাবি, সেনাপ্রধানের দৃঢ়তার অভাবে পরিস্থিতি খারাপ হয়েছিল এবং এই কারণে আওয়ামীগের এমপি, মন্ত্রী, নেতা, কর্মী অনেকে বাড়ি ছেড়ে চলে যেতে বাধ্য হয়েছেন। তার মতে, একজন জেনারেল যদি কঠোর হতেন, হুঙ্কার দিতেন তাদের মতো করে সারাদেশে সাধারণ মানুষের উপর হত্যার ও প্রতিশোধের আগুন জ্বালিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়তেন, তাহলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা যেত এবং তাদের মতো ভয়ঙ্কর খুনীদের সুরক্ষিত রাখা যেত।
ফোনালাপে আরও দাবি করেন, ঢাকা মহানগর, বিশেষ করে গণভবনে বিক্ষোভকারীদের বিনা বাধায় প্রবেশ করতে দেওয়া হয়েছে। উত্তরায় সামরিক বাহিনীর সদস্যদের উপর ফুল ছিটানো হয়েছে। এই সংবাদ ছড়িয়ে পড়লে তাদের উপর সারাদেশে আক্রমণ শুরু হয় বলে দাবি করেন কামাল।
তিনি বলেন, ‘‘একজন জেনারেল যদি হুঙ্কার দিত যে, উনি (শেখ হাসিনা) পদত্যাগ করেছেন, সবকিছু মেনে নিয়েছেন। এখন তোমরা যার যার ঘরে যাও নাহলে আমরা অ্যাকশনে যাবো। এইটা যদি বলতেন, পুলিশ এবং আমরা মিলে যৌথভাবে অ্যাকশনে যাবো তোমরা ঘরে ফিরে যাও। আমরা আগেও দেখেছি জিয়াউর রহমান ও এরশাদ হুঙ্কার দিয়েছেন সব ব্যবস্থা হয়ে গেছে, কেউ বের হয়নি।’’
‘‘উত্তরায় যখন পথ ছেড়ে দেওয়া হলো এবং তাদের ওপর ফুল ছিটানো হলো। এই ভিডিও চলে গেছে সমস্ত ঢাকায়। তখন যাত্রাবাড়ী পথ ছেড়ে দেওয়া হলে তারা শাহবাগের দিকে চলে আসে। মোহাম্মদপুরে মাদ্রাসার ছাত্ররা জড় হয়েছিল, তারাও চলে আসল। একজন সেনাপ্রধান গণভবনকে রক্ষা করতে পারে নাই এটা কি বিশ্বাস করেন’’ বলেন সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।
দেশপ্রেমিক সেনাপ্রধানকে ‘মেরুদণ্ডহীন’ আখ্যা দিয়ে ফ্যাসিস্ট কামাল আরও বলেন, তারা নির্বাচন করতে চাচ্ছেন আমাদেরকে বাইরে রেখে, আমাদের নামে মামলা-মোকাদ্দমা দিয়ে। যাতে আমরা নির্বাচনে না অংশগ্রহণ করতে পারি। সেইভাবেই তারা ব্যবস্থা নিচ্ছে। একটা নির্বাচন হয়তো করেও ফেলতে পারে। কারণ আমরা মেরুদণ্ডহীন (সেনাপ্রধান) লোকের সাথে আছি তো।
সরাসরি খুনের সাথে জড়িত আওয়ামী লীগের এই শীর্ষ নেতা বলেন, আমাদের দেয়ালে পিঠ ঠেকে গেছে। বঙ্গবন্ধু যেভাবে বলেছিলেন, যার যা আছে তাই নিয়ে তোমরা ঝাঁপিয়ে পড়। আমরা আস্তে আস্তে সেই দিকেই যাচ্ছি।
কসাই কামাল জানান, ৫ আগস্টের পর প্রায় এক মাস বাংলাদেশে ছিলেন। এরপর ৯ সেপ্টেম্বর সীমান্ত পাড়ি দিয়ে ভারতে চলে যান তিনি।
এছাড়াও ফোনালাপে তিনি দল যেসব চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয়েছে সেগুলো নিয়ে আলোচনা করেন। এর মধ্যে তিনি দাবি করেন, আদালতে তাদের পক্ষে আইনজীবী দাঁড়াতে দেওয়া হচ্ছে না। তিনি মনে করেন, আসন্ন নির্বাচনে অংশগ্রহণ করা তার দলের জন্য ‘আত্মঘাতী’ হবে।